বিছনাকান্দি ও রাতারগুল

ঘননীল আকাশ। সামনে সারি সারি পাহাড়। পাহাড়ের চূড়ায় মেঘের কুন্ডলী।
নৈকট্যে গেলে ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘ। মেঘের বুক চিরে নেমে আসা ঝর্ণা।
নিচে নেমে জল ও পাথরের সম্পর্কে শাঁ শাঁ শব্দ।
সেই জলই আবার মিশে যাচ্ছে পিয়াইনের সাথে।
পাথরে পাথরে বন্ধুত্ব। পাথরে ও নদীতে মিতালি।
আর ছোট-বড় নানান আকৃতি আর রঙের পাথর তো আছেই।
পানি এত স্বচ্ছ যে পানির তলার পাথর
কিংবা নিজের ডুবে থাকা পা পর্যন্ত স্পষ্ট দেখা যায়।

কিভাবে যাবেন:
১) ঢাকা থেকে বাস,
ট্রেন বা বিমানে করে সিলেটে যাওয়া যায়।
মামুন,মোবারাকাঃ ৩৫০
বাকি গুলাঃ
৪৭০গ্রীনলাইনঃ ৯৫০-১১০০
ট্রেনঃ শুভন-২৬৫,চেয়ার-৩২০,এসি-৬৫০

২) সিলেট বন্দর বা শিশু পার্কের বা
আম্বরখানার সামনে থেকে পাওয়া যায় গোয়াইনঘাটগামী লেগুনা
অথবা সিএনজি অটো রিক্সা।
ভাড়া ৮০-১০০টাকা।গোয়াইনঘাট থেকে হাদারপার বাজার যেতে হবে
সিএনজি অটো রিক্সায়। ভাড়া ৩০-৪০ টাকা।

বর্ষায় সরাসরি হাদারপার যাবেন ১২০ টাকা(জনপ্রতি)।
ওখান থেকে নৌকা নিয়ে যেতে হবে বিছনাকান্দিতে।
ভাড়া যাওয়া আসা ৮০০-১০০০+ টাকা(মাঝে মাঝে ১৫০০-১৬০০)।
তবে আম্বরখানার হয়ে যাওয়াই ভাল।
যদি গ্রুপে লোকসংখ্যা কম হয়,অথবা একা যেতে চান,
হাদারপাড় থেকে বাইকে যেতে পারেন।
খরচ হবে ৩০০-৩৫০ প্রতি বাইকে।
আপনি চাইলে রাতারগুল,
বিছনাকান্দিতে যেতে পারেন
ভাড়া যাওয়া আসা ১৬০০+ টাকা (রিজার্ভ)।
রাতারগুল নৌকা ভাড়া ৬৫০(ফিক্সড)।

আপনি বলবেন যে রাতারগুল গ্রামের ভিতর যে ঘাট আসে
অইখানে নিয়ে যেতে।
রিজার্ভ করতে না চাইলে হাদারপাড় থেকে
ধোপাগুল গিয়ে সেখান থেকে সিএনজি অটোরিকশায় করে রাতারগুল যাবেন।
এসময় ঘাট থেকে প্রায় ২ কি.মি. আগে নামিয়ে দিবে।
ড্রাইভারের সাথে কথা বলে ঘাটে নামিয়ে দিতে বলতে হবে।
আর অবশ্যই যেনো আপনাদের জন্য অপেক্ষা করে।
কারণ ফেরার সময় কোনো বাহন পাওয়া যায় না।
ভাড়া ঠিক করে নিতে হবে।
খরচ: হাদারপাড় থেকে ধোপাগুল ১২০ টাকা।
ধোপাগুল থেকে রাতারগুল:দরদাম করতে হবে।


সিলেট শহরে থাকা খাওয়ার জন্য অনেক হোটেল আছে।
মান ও অন্যান্য সুবিধা ভেদে ভাড়া ৫০০-৬৫০০ টাকা পর্যন্ত।


খাবার জন্য শাহজালাল (রা.) দরগার আসে পাশে অনেক হোটেল আছে ।
তবে পাঁচ ভাই,পানশি ইত্যাদি খুব সুপরিচিত।
বিছনাকান্দির হাদাড়পার বাজারে পাকশি রেস্টুরেন্ট এ ও খেতে পারেন।


লালাখালা, পান্থুমাই, লক্ষনছরা, ইত্যাদি আছে।
বর্ষা ছাড়া আপনি যেতে পারবেন না কারণ পানি থাকে না তখন।
More Stories
ফিরে এলে যখন